ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কালুখালীতে জাগ্রত তরুণ সোসাইটির ৭ম বর্ষে পদার্পণ ও আলোচনা সভা Logo শেরে বাংলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত Logo রাজবাড়ীতে পদ্মায় ভাসলো রিকশাচালকের মরদেহ, রিকশা ছিনতাই Logo বালিয়াকান্দিতে ১৩০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ Logo রাজবাড়ী ফ্রেন্ডস ক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল Logo ​রাজবাড়ীতে রাফি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ Logo খানখানাপুরে ১৩১৫ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ Logo বসন্তপুরে ১৭১০ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র বিতরণ Logo খানগঞ্জে ৭৭৮ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ Logo মূলঘর ইউনিয়নে ৮০৪ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

মধুখালীতে চারকল বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কর্মসূচি

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পাটকাঠির ছাই (চারকল) কারখানা বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (২৩শে নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মেঘচামী ইউনিয়নের চরমেঘচামী গ্রামের যাদবপুর আঞ্চলিক সড়কে ‘চন্দনা চারকল’ কারখানার পাশেই ঘন্টা এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মেগচামী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাব্বির উদ্দিন শেখের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন মেগচামী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম ডিয়াই, উপজেলা বন ও পরিবেশ সম্পাদক নুর হোসেন খাঁন রুমি, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জহুরুল ইসলাম লিটন, উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব তানভীর আহম্মেদ শিমুল সহ প্রমুখ।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন মেগচামী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মান্নান মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাপ মসল্লী, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি রোকনুজ্জামান ভুট্টো, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সেতু, বিএনপি নেতা সাইফুল শিকদার, মেগচামী এক্সপ্রেস সংগঠনের সভাপতি আওলাদ হোসেন খাঁন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারী নিয়মনীতি তোয়াক্কা করছে না মিল মালিকেরা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ও সরকারী নিয়মনীতি মেনে চালকল স্থাপন করা হচ্ছে না। এই কারণে এলাকাবাসী সর্দি, কাঁশি, হাঁপানিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

তারা আরো বলেন, ফসলি জমিতে চারকল ছাই মিলে পাটকাটি পুড়িয়ে পরিবেশের ক্ষতি ও ফসলের ক্ষতিসহ মানবদেহে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হচ্ছে। আশপাশের মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপনে ব্যাপক হুমকি রয়েছে। পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এ কার্বন তৈরির কারখানাটি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানান।

কিছুদিন আগে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় দেড় একর জমি নিয়ে ‘চন্দনা চারকল’ কারখানাটি স্থাপন করা হয়। গত ১৫ নভেম্বর শুক্রবার অনুষ্ঠানিক ভাবে ওই কারখানায় পাটকাঠি পুড়িয়ে কার্বন বানানো শুরু হয়।

চন্দনা চারকলের স্বত্ত্বাধাকারী মো: মাসুদুর রহমান বলেন, জেলায় আমাদের চারকল কারখানাটি প্রথম নয়। শুধু মাত্র মধুখালী উপজেলাতেই এই জাতীয় আরো ৫টি কারখানা রয়েছে। এই চারকল কারখানার উৎপাদিত কালি চীনসহ কয়েকটি দেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, এ কারখানাটি আশেপাশে তেমন বাড়িঘর নেই। কারখানাতে ৯০ ফুট উচু চিমনি রয়েছে। ওই চিমনি দিয়েই পাটকাঠির ধোঁয়া নির্গত হয়। এ কারখানার জন্য জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হওয়ার সুযোগ নেই।

ট্যাগস :

কালুখালীতে জাগ্রত তরুণ সোসাইটির ৭ম বর্ষে পদার্পণ ও আলোচনা সভা

মধুখালীতে চারকল বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কর্মসূচি

আপডেট সময় ০৮:২০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পাটকাঠির ছাই (চারকল) কারখানা বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (২৩শে নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মেঘচামী ইউনিয়নের চরমেঘচামী গ্রামের যাদবপুর আঞ্চলিক সড়কে ‘চন্দনা চারকল’ কারখানার পাশেই ঘন্টা এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মেগচামী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাব্বির উদ্দিন শেখের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন মেগচামী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম ডিয়াই, উপজেলা বন ও পরিবেশ সম্পাদক নুর হোসেন খাঁন রুমি, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জহুরুল ইসলাম লিটন, উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব তানভীর আহম্মেদ শিমুল সহ প্রমুখ।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন মেগচামী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মান্নান মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাপ মসল্লী, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি রোকনুজ্জামান ভুট্টো, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সেতু, বিএনপি নেতা সাইফুল শিকদার, মেগচামী এক্সপ্রেস সংগঠনের সভাপতি আওলাদ হোসেন খাঁন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারী নিয়মনীতি তোয়াক্কা করছে না মিল মালিকেরা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ও সরকারী নিয়মনীতি মেনে চালকল স্থাপন করা হচ্ছে না। এই কারণে এলাকাবাসী সর্দি, কাঁশি, হাঁপানিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

তারা আরো বলেন, ফসলি জমিতে চারকল ছাই মিলে পাটকাটি পুড়িয়ে পরিবেশের ক্ষতি ও ফসলের ক্ষতিসহ মানবদেহে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হচ্ছে। আশপাশের মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপনে ব্যাপক হুমকি রয়েছে। পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এ কার্বন তৈরির কারখানাটি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানান।

কিছুদিন আগে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় দেড় একর জমি নিয়ে ‘চন্দনা চারকল’ কারখানাটি স্থাপন করা হয়। গত ১৫ নভেম্বর শুক্রবার অনুষ্ঠানিক ভাবে ওই কারখানায় পাটকাঠি পুড়িয়ে কার্বন বানানো শুরু হয়।

চন্দনা চারকলের স্বত্ত্বাধাকারী মো: মাসুদুর রহমান বলেন, জেলায় আমাদের চারকল কারখানাটি প্রথম নয়। শুধু মাত্র মধুখালী উপজেলাতেই এই জাতীয় আরো ৫টি কারখানা রয়েছে। এই চারকল কারখানার উৎপাদিত কালি চীনসহ কয়েকটি দেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, এ কারখানাটি আশেপাশে তেমন বাড়িঘর নেই। কারখানাতে ৯০ ফুট উচু চিমনি রয়েছে। ওই চিমনি দিয়েই পাটকাঠির ধোঁয়া নির্গত হয়। এ কারখানার জন্য জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হওয়ার সুযোগ নেই।