রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের শ্রীপুর লজ্জাতুন্নেছা কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় সামাজিক সংগঠন রাফি ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে ৬০ জন শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (৫ই জানুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় রাফি ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ের সামনে এই শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে রাফি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মোহনা টিভির প্রতিনিধি মোঃ ইউসুফ মিয়া-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কম্বল বিতরণ করেন রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিরুপমা রায়।
জানা গেছে, শীত মৌসুমে এলাকার হতদরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করে রাফি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ ইউসুফ মিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট শীতবস্ত্র বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিরুপমা রায় বলেন, “শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো একটি মানবিক দায়িত্ব। সরকার ও সামাজিক সংগঠনগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করলে সমাজের অসহায় মানুষগুলো উপকৃত হবে। রাফি ফাউন্ডেশনের এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।”
এ সময় সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী বিজয় কুমার প্রামানিক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাফি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রাফি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মোহনা টিভির প্রতিনিধি মোঃ ইউসুফ মিয়া বলেন, “শীত মৌসুমে আমাদের সমাজের হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন কাটান। তাদের এই কষ্ট লাঘবের জন্যই রাফি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আজকের এই ক্ষুদ্র মানবিক উদ্যোগ।
আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই রাজবাড়ী সদর উপজেলা প্রশাসনকে, বিশেষ করে মাননীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিরুপমা রায়কে—আমাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে শীতবস্ত্র বরাদ্দ ও সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য। তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সহযোগিতা ছাড়া এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন সম্ভব হতো না।
তিনি আরো বলেন, রাফি ফাউন্ডেশন সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে। ভবিষ্যতেও সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে উপজেলা প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা নিয়ে আমরা কাজ করে যেতে চাই।
আজকের এই আয়োজন সফল করতে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন—স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আমাদের সংগঠনের সদস্য এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আশা করি, সরকার ও সামাজিক সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে আমরা একটি মানবিক ও সহানুভূতিশীল সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।”
নিজস্ব প্রতিবেদক: 









