রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য মো: গোলাম হোসেন ফরিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ভিডিও ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার(১৯শে অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামস্থ ভুক্তভোগী পরিবারের বাসভবনে ‘নির্যাতিত রামপুরবাসী’র ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ১নং ওয়ার্ড সদস্য মো: গোলাম হোসেন ফরিদ বলেন, আমি ২০১১ সাল থেকে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে ১নং ওয়ার্ডবাসীর সেবা করে আসছি। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবং এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় চিহ্নিত মাদকাসক্ত ও সন্ত্রাসী বি.এম আমিরুল ইসলাম আকাশ ও তার কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে।
গত ১৫ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে এবং পরবর্তীতে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে আমাকে জড়িয়ে ‘সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জমি দখল’-এর বানোয়াট তথ্য ও ভুয়া ভিডিও ছড়ানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ঘটনার সত্যতা তুলে ধরে ফরিদ মেম্বার জানান, রামপুর মৌজার বিএস রেকর্ডভুক্ত জমির প্রকৃত মালিক ডা: মিজানুর রহমান ১৯৮৭ সালে বৈধভাবে জমিটি ক্রয়ের পর থেকে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে আকাশ ও তার লোকজন সেই বাগানের ১৫-২০ লাখ টাকার মেহগনি গাছ কেটে আত্মসাৎ করে। এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ ও আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত ৪ অক্টোবর ভুক্তভোগী পরিবার তাদের নিজস্ব জমিতে সীমানা বেড়া দিতে গেলে অভিযুক্ত আকাশ পুলিশ কন্ট্রোল রুম ৯৯৯-এ ফোন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে, এলাকার একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও পুলিশ প্রশাসনকে সহায়তা করতেই আমি সেখানে গিয়েছিলাম। এর সাথে জমি দখলের কোনো দূরতম সম্পর্কও নেই। মূল বিষয় হলো, আমি মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং আসন্ন নির্বাচনে আমার জনপ্রিয়তা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই চক্রান্ত চালানো হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য রহিমা বেগম ও জেসমিন নাহারও ফরিদ মেম্বারের বক্তব্যের সত্যতা সমর্থন করেন। তারা জানান, মেম্বার ফরিদ কোনো জমি দখলের সাথে যুক্ত নন; বরং তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাদের সাহায্য করেছেন বলে আজ অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে অবিলম্বে এ ধরনের বানোয়াট সংবাদ, ভিডিও ও অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানানো হয় এবং চিহ্নিত চক্রান্তকারী ও মিথ্যা তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 









