ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রামকান্তপুর ইউনিয়নের ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের উন্মুক্ত খসড়া বাজেট ঘোষণা Logo রামকান্তপুর ইউনিয়নে ১১০১টি পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ Logo ​​মিজানপুরে ২০৪১টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ Logo আলীপুর ইউনিয়নে ১০৮৩ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ Logo খানখানাপুর ইউনিয়নে ১৩১৫ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ Logo বসন্তপুর ইউনিয়নে ১৭১০ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ Logo বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নে ১৯৬৬টি পরিবারের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ Logo মূলঘর ইউনিয়নে ৯০৪টি পরিবারে ভিজিএফের চাল বিতরণ Logo মূলঘর ইউনিয়ন পরিষদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা Logo বাজেট কেবল কিছু সংখ্যার হিসাব নয়, এটি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের রূপরেখা——ইউপি চেয়ারম্যান একেএম ইকবাল হোসেন
ভেঙ্গে পড়া ব্রিজটি পুনঃনির্মাণের দাবী এলাকাবাসীর

গোয়ালন্দে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল; এ যেন মরণ ফাঁদ

রাজবাড়ী: গোয়ালন্দে ভেঙ্গে হেলে পড়া ব্রিজ যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা গ্রামের পিয়ার আলী মৃধা পাড়া এলাকায় ভেঙ্গে পড়া ব্রিজ যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে করে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের উপর দিয়েই চলছে ছোট-বড় যাবাহন ও কয়েক হাজার মানুষ।

দ্রুত ব্রিজটি পূন:নির্মাণ দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী সহ সড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। তা না হলে যে কোন মুহুর্তে ব্রিজটি পুরোপুরি ভেঙ্গে মর্মান্তিক দূর্ঘটনাটি সম্ভবনা রয়েছে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বেইলী ব্রীজ থেকে আতর আলী চেয়ারম্যানের বাজার হয়ে রাজবাড়ী জেলা শহরে যেতে গুরুত্ব বহন করে সড়কটি। গত ৩ বছর পূর্বের বন্যার পানির তীব্র স্রোতে ব্রিজের পাশ্ববর্তী কয়েকটি বসতভিটা ও একটি কাচা রাস্তা খালে ধসে যায়। পরে ব্রিজটির নীচে ও পাশ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় মাঝখান থেকে ভেঙ্গে দেবে গেছে।

সরজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজটি মাঝখান থেকে ভেঙ্গে একপাশে দেবে হেলে পড়েছে। ভেঙ্গে পড়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটির উপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করলেও ঝুঁকি নিয়ে রিক্সা, অটোরিক্সা, ভ্যান, মাহেন্দ্র, মোটর সাইকেলের মতো হালকা যানবাহন ও লোকজন ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করছে।
এসময় স্থানীয় মোঃ জহিরুল কবিরাজ, হাবিবুর, শহিদ মেম্বর সহ প্রায় অর্ধশত এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিন বছর আগে বন্যায় এ ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়ে। এরপর বড় বড় সাহেবরা এসে মাপঝোপ করে নিয়ে গেছে। কিন্তু ব্রিজটি কবে মেরামত হবে তা কেউ বলতে পারেনা। এই ব্রিজটি ভাঙ্গা থাকায় অনেক দূুর ঘুরে আমাদের মালামাল পরিবহন করতে হয়।

দেবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুল ইসলাম বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে ব্রিজটি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আবু সাইদ মন্ডল বলেন, ২০/২৫ বছর আগে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে এ ব্রিজটি ও সড়কটি গোয়ালন্দ উপজেলা এলজিইডির অধীনস্থ।

গোয়ালন্দ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কুমার দাস জানান, বন্যায় ভেঙ্গে পড়া ওই ব্রীজটি পুনঃনির্মাণের জন্য তৎকালীন কর্মকর্তা প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন। দ্রুতই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত সময়ে ব্রীজটি পুনঃনির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রামকান্তপুর ইউনিয়নের ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের উন্মুক্ত খসড়া বাজেট ঘোষণা

ভেঙ্গে পড়া ব্রিজটি পুনঃনির্মাণের দাবী এলাকাবাসীর

গোয়ালন্দে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল; এ যেন মরণ ফাঁদ

আপডেট সময় ০৩:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা গ্রামের পিয়ার আলী মৃধা পাড়া এলাকায় ভেঙ্গে পড়া ব্রিজ যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে করে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের উপর দিয়েই চলছে ছোট-বড় যাবাহন ও কয়েক হাজার মানুষ।

দ্রুত ব্রিজটি পূন:নির্মাণ দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী সহ সড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। তা না হলে যে কোন মুহুর্তে ব্রিজটি পুরোপুরি ভেঙ্গে মর্মান্তিক দূর্ঘটনাটি সম্ভবনা রয়েছে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বেইলী ব্রীজ থেকে আতর আলী চেয়ারম্যানের বাজার হয়ে রাজবাড়ী জেলা শহরে যেতে গুরুত্ব বহন করে সড়কটি। গত ৩ বছর পূর্বের বন্যার পানির তীব্র স্রোতে ব্রিজের পাশ্ববর্তী কয়েকটি বসতভিটা ও একটি কাচা রাস্তা খালে ধসে যায়। পরে ব্রিজটির নীচে ও পাশ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় মাঝখান থেকে ভেঙ্গে দেবে গেছে।

সরজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজটি মাঝখান থেকে ভেঙ্গে একপাশে দেবে হেলে পড়েছে। ভেঙ্গে পড়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটির উপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করলেও ঝুঁকি নিয়ে রিক্সা, অটোরিক্সা, ভ্যান, মাহেন্দ্র, মোটর সাইকেলের মতো হালকা যানবাহন ও লোকজন ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করছে।
এসময় স্থানীয় মোঃ জহিরুল কবিরাজ, হাবিবুর, শহিদ মেম্বর সহ প্রায় অর্ধশত এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিন বছর আগে বন্যায় এ ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়ে। এরপর বড় বড় সাহেবরা এসে মাপঝোপ করে নিয়ে গেছে। কিন্তু ব্রিজটি কবে মেরামত হবে তা কেউ বলতে পারেনা। এই ব্রিজটি ভাঙ্গা থাকায় অনেক দূুর ঘুরে আমাদের মালামাল পরিবহন করতে হয়।

দেবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুল ইসলাম বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে ব্রিজটি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আবু সাইদ মন্ডল বলেন, ২০/২৫ বছর আগে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে এ ব্রিজটি ও সড়কটি গোয়ালন্দ উপজেলা এলজিইডির অধীনস্থ।

গোয়ালন্দ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কুমার দাস জানান, বন্যায় ভেঙ্গে পড়া ওই ব্রীজটি পুনঃনির্মাণের জন্য তৎকালীন কর্মকর্তা প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন। দ্রুতই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত সময়ে ব্রীজটি পুনঃনির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।